Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

নদ-নদী

টাঙ্গাইল সদর এর বুকে সতত বিচরণশীল বিপুল জনগোষ্ঠির দৈনন্দিনতার জন্য প্রয়োজনীয়  জল প্রকৃতিগতভাবে যোগান দিচ্ছে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-জলাশয়। বছরের একটি নির্দিষ্ট মৌসুমে চলাচলের জন্য প্রয়োজন জলপথের। সকল কিছুর উর্ধে  কৃষিজ উৎপাদনের জন্য জলের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

যমুনা নদী: 

যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর একটি। এটি ব্রহ্মপুত্র নদীর প্রধান শাখা। ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ ভূখন্ডে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার দৈর্ঘ্য ২৭৬ কিমি যার মধ্যে যমুনা নদীর দৈর্ঘ্য ২০৫ কিমি। নদীটির প্রশস্ততা ৩ কিমি থেকে ২০ কিমি পর্যন্ত, তবে এর গড় প্রশস্ততা প্রায় ১০ কিমি। যমুনা নদী পদ্মা নদীতে পতিত হয় গোয়ালন্দে। যমুনার প্রবাহমান জেলাসমূহ-বগুড়া জেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা, টাঙ্গাইল জেলা (টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতি এবং ভূঞাপুর উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত) গাইবান্ধা জেলা। যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী (করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী) বাঙালি+যমুনা বগুড়া।



লৌহজং নদী

লৌহজং নদী বাংলাদেশের উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৮৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৭৮ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। এই নদী অববাহিকার আয়তন ১০৪ বর্গ কিমি। নদীটি টাঙাইল শহরের দিঘুলিয়া, কলেজেপাড়া, কাগমারা, বেরাডোমা, আকুরটাকুর পাড়া, কাগমারি, কাজিপুর দিয়ে প্রবাহিত। টাঙ্গাইল শহরের প্রান এই নদী।লৌহজং যমুনার শাখা নদী। ভূয়াপুর থানা সদরের গাবসাড়া হতে উৎপন্ন হয়ে ভূয়াপুর থানা সদরের এক কিঃমিঃ উত্তরে পাঁচটিকরীতে ঝিনাইর সাথে মিশে দক্ষিণ-পূর্বাভিমুখী হয়েছে। এসময় নদীটি টাংগাইল-করটিয়া, বাসাইল সীমান্ত দিয়ে মির্জাপুর-জামুর্কী হয়ে বংশী নদীর সাথে মিলিত হয়। বাসাইল উপজেলায় এটি নাহালী ও মটরা গ্রাম দিয়ে বাসাইল অতিক্রম করে। নদীটি বর্তমানে প্রায় মৃত। যদিও একসময় নদীটি ছিল প্রবল খরস্রোতা। কেদারনাথ মজুমদার লৌহজং নদী সম্পর্কে নিম্নরূপ বিবরণ দিয়েছেনঃ ‘‘টাংগাইল মহকুমার অন্তর্গত বৈষ্ণববাড়ী হইতে যমুনার একটি শাখা বাহির হইয়াছে। ইহার নাম লৌহজঙ্গ। লৌহজঙ্গ নদী টাংগাইল, করটিয়া ও জামুর্কী প্রভৃতিস্থানের নিকট দিয়া প্রবাহিত হইয়া ঢাকা জেলার বংশাই নদীর সাথে মিলিত হইয়াছে।